হাতের সৌন্দর্যের অনেকটাই জড়িত নখের সাথে। নখ সুন্দর মানে হাতেও ফুটে ওঠে সে সৌন্দর্য। কিন্তু এই নখ ভালো রাখতে আমরা কতটা সচেতন? রেগুলার পানির কাজ করা, নিয়মিত নখ পরিষ্কার না করা, ট্রিম না করা, নখে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়া এমন অনেক কারণে নখের সৌন্দর্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়। সেই সাথে নখ ভেঙে যাওয়া, হলুদ হয়ে যাওয়া, নখের নিচে ব্যাকটেরিয়া জমার মতো সমস্যাগুলো দেখা দেয়। এক কথায় নখ হয়ে ওঠে আনহেলদি। এই সমস্যাগুলো দূর করে হেলদি নেইলস পাওয়ার কি কোনো উপায় নেই? উপায় অবশ্যই আছে। তবে সেজন্য আপনাকে জানতে ও মানতে হবে কিছু বিষয়। চলুন জেনে নেই হেলদি নেইলস পাওয়ার জন্য আপনি কী কী কাজ করবেন এবং কোন কাজগুলো করবেন না।

হেয়ার ড্যামেজের বিভিন্ন ধরন
সল্যুশন জানার আগে হেয়ার ড্যামেজের বিভিন্ন ধরন সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-
কেমিক্যাল ড্যামেজ
পার্মানেন্ট হেয়ার স্ট্রেইটনিং, রিবন্ডিং, পার্মিং এগুলো চুলের অভ্যন্তরীণ গঠন ও টেক্সচারকে পরিবর্তন করে দেয়। এই কেমিক্যাল ট্রিটমেন্টের পরে সঠিকভাবে চুলের যত্ন না নিলে হেয়ার ব্রেকেজ বা আগা ফাটার মতো সমস্যা হতে পারে।
কালার ড্যামেজ
অনেক সময় হেয়ার কালারে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (ব্লিচিং এজেন্ট) ও অ্যামোনিয়া থাকে, যা হেয়ার কিউটিকলগুলো ওপেন করে দেয়। এর ফলে হেয়ার স্ট্রাকচারে বিরূপ প্রভাব পড়ে। বার বার যখন এই ধরনের এজেন্ট আপনার চুলে ব্যবহার করা হচ্ছে, তখন চুল খুব স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়।

ফ্রিজিনেস, ড্রাইনেস
কালার বা কোনো কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট না করলেও চুল অনেক সময় রাফ হয়ে যায়। হাইড্রেশনের অভাবে, সঠিক পদ্ধতিতে চুলের যত্ন না নিলে, সূর্যরশ্মির কারণে, কন্ডিশনিং না করার জন্য- এমন বিভিন্ন কারণেই কিন্তু হেয়ার ড্যামেজ হতে পারে। ফ্রিজিনেস, ড্রাইনেস, ব্রেকেজ এগুলো সবই ড্যামেজড হেয়ারের লক্ষণ।
এছাড়াও হিট স্টাইলিং টুলস রেগুলার ইউজ করা, ওয়েদার চেঞ্জ, হার্শ ইনগ্রেডিয়েন্টযুক্ত প্রোডাক্টের ব্যবহার, পুষ্টির অভাব এমন নানা কারণেই চুল ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে।
মাত্র ১ মাসেই ড্যামেজড হেয়ার রিপেয়ার
আজ একদম সিম্পল ও মিনিমাল হেয়ার কেয়ার রুটিন শেয়ার করবো যা ফলো করলে মাত্র ১ মাসেই ড্যামেজড হেয়ারে ভিজিবল চেঞ্জ দেখতে পাবেন। তবে হেয়ার কতটুকু ড্যামেজ হয়েছে, আপনার লাইফস্টাইল কেমন, কী কী প্রোডাক্ট ব্যবহার করছেন, এসব কিছুই কিন্তু এর সাথে জড়িত। চলুন দেখে নেই হেয়ার কেয়ার স্টেপগুলো-
কিউটিকল ট্রিম করা ও ময়েশ্চারাইজড রাখা
নখের যত্ন নেয়ার রুটিনের মধ্যে কিউটিকল ভালো রাখা অ্যাসেনশিয়াল একটি পার্ট। এজন্য কিউটিকল ট্রিম করতে হবে এবং ময়েশ্চারাইজড রাখতে হবে। নেইল ট্রিমার দিয়ে নেইলের কিউটিকলের চারপাশে ট্রিম করে নিতে পারেন। আর ময়েশ্চারাইজ রাখার জন্য ইউজ করতে পারেন কিউটিকল অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, অলিভ অয়েল, আমন্ড অয়েল বা পেট্রোলিয়াম জেলি। এগুলোর যে কোনোটি রেগুলার ইউজ করলে কিউটিকল যেমন ভালো থাকবে, তেমনই ভালো থাকবে নখ।

